তিনটি বন্ধ দরজা। ওপাশে হলুদ সংসার
বালকের ক্লান্ত গোঙ্গানি- মুখোমুখি
আমি; অথবা প্রণব আচার্য্য।
মিরপুর মোড়ের হল মালিক জানেন,
গ্রামীণ চেকের ব্র্যাডিং পাশে নিয়ে
কতটুকু আর ভালোবাসা যায়-
দরজার অই পাশে আরশি নগর?
মনের মানুষের লগে মদনের রসারসি,
মিলনের দিন গুনতে গুনতে
চিনতে ভুলে গেছি ডলগুলোর ঠোঁট
ভুলে গেছি ওগুলোকে চুমু খাওয়ার ইচ্ছা
বঙ্কিম মাজা ছুঁয়ে যাওয়া অবৈধ নয়
বৈধ শুধু কুঠরি ভেঙ্গে নাভিগুলো
অবমুক্ত করা, তুরাগের জলে
তারপর নৌকার মতো ভাসিয়ে নেওয়া
তিনটি বন্ধ দরজার পড়শি তুমি; কী চাও?
আমি চাই লাল পিঁপড়ার দল খেয়ে ফেলুক
দরজার কালো; দীর্ঘ কবিতা লেখার
অভিজ্ঞতার মতো চুম্বনের কুদরতি;
যদি পারো খুলে দাও দরজায় আলো,
নাভি ও জরায়ুর হলুদ সম্পর্ক+বিরাগ
খুলে দাও হৃদয়ের জান্নাত
নিজের মর্ম বুঝতে ব্রহ্মাণ্ড ভ্রমণে এসে দেখি অসীমের তত্ত্বে লীন হয়ে আছি অনাদি পুরুষ; আমাতে বিহার করো, আমিই তোমার নিরঞ্জন
শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
মুখোমুখি
লেবেলসমূহ:
তৃতীয় পর্বের কবিতাগুলি
বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
তুমি মেঘ
তুমি জমেছো মেঘ- কবে থেকে জমতে শুরু
ঘন থেকে ঘনায়মান, গম্ভীর পতনের দিকে
সময় কেবলি নির্লিপ্ত দর্শকের মতো
বয়ে চলছে; যে মেঘে বৃষ্টি হয় তাকে
বর্ষণমেঘ বলে লোকে; আমি তোমাকে শুধু
পতন বলি। পতিত হও নিরলস,
আমার মাটির বিছানা-বালিশ ধুয়ে মুছে
যাবার আগে নিশ্চিন্তের শেষ নিদ্রা
শেষ কোলাহল শুনে দাঁড়িয়ে থাকবো
তোমার তুমুল আক্রমনে একা অপরাজেয়
তুমি বড় জোর সঙ্গহীন করে বয়ে নিয়ে যাবে
ধুলো-মাটি-সম্পর্কের স্মৃতিদাগ
আমি তবু দাঁড়িয়ে শেষতম জলে
লিখে দেবো মরুদাগ, প্রতিভার ক্রোধ
বিষাদ চোখে এসে পড়ে সূর্যাস্তের রঙে
অন্ধকরাচ্ছন্ন দুপুরে চাই আরো চাই তামস
নতজানু হয়ে অতঃপর শিড়দাঁড়া করা
পৃথিবীর বিক্ষুব্ধ প্রনয় যুগল,
মেঘমিশ্রিত দেহবাসর,
সবার আগে চাই অবাধ বিধান
তুমি কেন ভাসিয়ে দিতে পারো না
সামাজিক আগাছা-বিধান
নাকি তুমিও অঞ্জন ঝটিকা বলে
কেবলি সঙ্ঘ আর সঙ্গের তফাত ভুলে যাও
আমার পিতৃত্বের বাসনা ধুয়ে যাক শ্রাবণে
তোমার রজরক্ত রূপকথা হয়ে থাক
বসন্তনিশিথে। নামের পাশে পদবীটাই
নির্ণায়কের মূল সুত্র আজ। ওষ্ঠ অথবা হৃদয়ের
কম্পিত চাওয়া ভিন্ন চিতার ছাই হয়ে ভাসবে জলের
চতুর আদোরে। এই শেষতম চুম্বনে দীর্ঘ উপায়
আমাদের পৃথিবীতে বিশুদ্ধ বর্ষা আসেনি এখনো
পাখি ডাকে; চোখে তার চঞ্চুর নির্ভার
সেও উড়ে যাবে বৃষ্টির মাতাল প্রস্রবনে
২৯ আগস্ট, ২০১৩
ঘন থেকে ঘনায়মান, গম্ভীর পতনের দিকে
সময় কেবলি নির্লিপ্ত দর্শকের মতো
বয়ে চলছে; যে মেঘে বৃষ্টি হয় তাকে
বর্ষণমেঘ বলে লোকে; আমি তোমাকে শুধু
পতন বলি। পতিত হও নিরলস,
আমার মাটির বিছানা-বালিশ ধুয়ে মুছে
যাবার আগে নিশ্চিন্তের শেষ নিদ্রা
শেষ কোলাহল শুনে দাঁড়িয়ে থাকবো
তোমার তুমুল আক্রমনে একা অপরাজেয়
তুমি বড় জোর সঙ্গহীন করে বয়ে নিয়ে যাবে
ধুলো-মাটি-সম্পর্কের স্মৃতিদাগ
আমি তবু দাঁড়িয়ে শেষতম জলে
লিখে দেবো মরুদাগ, প্রতিভার ক্রোধ
বিষাদ চোখে এসে পড়ে সূর্যাস্তের রঙে
অন্ধকরাচ্ছন্ন দুপুরে চাই আরো চাই তামস
নতজানু হয়ে অতঃপর শিড়দাঁড়া করা
পৃথিবীর বিক্ষুব্ধ প্রনয় যুগল,
মেঘমিশ্রিত দেহবাসর,
সবার আগে চাই অবাধ বিধান
তুমি কেন ভাসিয়ে দিতে পারো না
সামাজিক আগাছা-বিধান
নাকি তুমিও অঞ্জন ঝটিকা বলে
কেবলি সঙ্ঘ আর সঙ্গের তফাত ভুলে যাও
আমার পিতৃত্বের বাসনা ধুয়ে যাক শ্রাবণে
তোমার রজরক্ত রূপকথা হয়ে থাক
বসন্তনিশিথে। নামের পাশে পদবীটাই
নির্ণায়কের মূল সুত্র আজ। ওষ্ঠ অথবা হৃদয়ের
কম্পিত চাওয়া ভিন্ন চিতার ছাই হয়ে ভাসবে জলের
চতুর আদোরে। এই শেষতম চুম্বনে দীর্ঘ উপায়
আমাদের পৃথিবীতে বিশুদ্ধ বর্ষা আসেনি এখনো
পাখি ডাকে; চোখে তার চঞ্চুর নির্ভার
সেও উড়ে যাবে বৃষ্টির মাতাল প্রস্রবনে
২৯ আগস্ট, ২০১৩
লেবেলসমূহ:
তৃতীয় পর্বের কবিতাগুলি
শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৩
নক্ষত্রচুম্বন
আকাশের শিঙে নক্ষত্র এসে চুমু খেল
ধুলোরা ছুটে গেল বর্ষার দিকে-
বর্ষা, আমার আগুন ছোঁয়া বোষ্টমী
হরিবোল হরিবোল ... জিকির
তারপর একদিন সঙ্গহীন ছাঁদে
নেমে এলো পরিচয়, রূপালি চাঁদে
তাদের চিনতে গিয়ে তত্ত-তালাশ;
গাঁয়ের মেয়েরা বুড়ো হয়ে যায়
ভরা পূর্ণিমায় তোর চোখে জল
পথে নামে দেহভষ্মছাই-
চুমুর দাগ পড়ে থাকে পেছনে শুধু
ধুলোরা ছুটে গেল বর্ষার দিকে-
বর্ষা, আমার আগুন ছোঁয়া বোষ্টমী
হরিবোল হরিবোল ... জিকির
তারপর একদিন সঙ্গহীন ছাঁদে
নেমে এলো পরিচয়, রূপালি চাঁদে
তাদের চিনতে গিয়ে তত্ত-তালাশ;
গাঁয়ের মেয়েরা বুড়ো হয়ে যায়
ভরা পূর্ণিমায় তোর চোখে জল
পথে নামে দেহভষ্মছাই-
চুমুর দাগ পড়ে থাকে পেছনে শুধু
লেবেলসমূহ:
তৃতীয় পর্বের কবিতাগুলি
লোকেশন:
Noakhali, Bangladesh
মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১৩
মুক্তিবেগ
আকাশে বড় চাঁদ। বুড়ির চরকায় তুলোর জট
ভেঙ্গে যাচ্ছে ক্রিস্টাল নীরবতা-
আমাদের বাতাস থেকে উড়ে চলে যাচ্ছে শিমুল ফুলের ঘ্রান
পুড়ে যাচ্ছে মাটি, দিঘি, রামপ্রসাদের ভক্তিগীতি; সব তুলো
উড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর বাতাস ছেড়ে; ঘুমিয়ে পড়েছে স্বতন্ত্রতা
আমরা গোপনে হারিয়ে ফেলেছি অতীব পরাজয়
আকাশে চাঁদের আলো- তুমি হুহু বাতাস
আমি শালিখের রাতের ক্রন্দন- আকাশ ভেঙ্গে পড়ে যাচ্ছে
চরকার চাকা, সাদা থান, ক্রিমির মতো কিলবিলে সব সুতোগুলো
ভেঙ্গে যাচ্ছে ক্রিস্টাল নীরবতা-
আমাদের বাতাস থেকে উড়ে চলে যাচ্ছে শিমুল ফুলের ঘ্রান
পুড়ে যাচ্ছে মাটি, দিঘি, রামপ্রসাদের ভক্তিগীতি; সব তুলো
উড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর বাতাস ছেড়ে; ঘুমিয়ে পড়েছে স্বতন্ত্রতা
আমরা গোপনে হারিয়ে ফেলেছি অতীব পরাজয়
আকাশে চাঁদের আলো- তুমি হুহু বাতাস
আমি শালিখের রাতের ক্রন্দন- আকাশ ভেঙ্গে পড়ে যাচ্ছে
চরকার চাকা, সাদা থান, ক্রিমির মতো কিলবিলে সব সুতোগুলো
সীসা
আমরা দু’জনে পেয়ে গেছি হরিনের খুর- মড়ক লাগা
মাছিদের শেষ গুঞ্জন; ঢাকার আকাশে
আজ অনেক ধোঁয়া, দু’জনে মিলে হয়ে আছি
পালকের নরোম শ্বাস। গাছেদের পাতা থেকে
মুছে গ্যাছে সেই কবে বসন্তের দাগ-
অজস্র বেগুনী আলো আর ট্রাফিক হলুদ রিরাংসায়
না, এটা প্রাচীন নাটকের একরৈখিক বিন্যাস নয়
এ শহরের সবকটি ইটে লেগে আছে কসমোপলিটন ধূলো
ভুলে গ্যাছো; ভুলে গ্যাছো এই শহরে ধূলো উড়িয়ে
বেজেছিলো ঘন অশ্বখুরধ্বনি- আমরা এসেছি
সেদিনই-তো- সীসার মতো ধীরে ধীরে গলে যাচ্ছে রোদ
মাছিদের শেষ গুঞ্জন; ঢাকার আকাশে
আজ অনেক ধোঁয়া, দু’জনে মিলে হয়ে আছি
পালকের নরোম শ্বাস। গাছেদের পাতা থেকে
মুছে গ্যাছে সেই কবে বসন্তের দাগ-
অজস্র বেগুনী আলো আর ট্রাফিক হলুদ রিরাংসায়
না, এটা প্রাচীন নাটকের একরৈখিক বিন্যাস নয়
এ শহরের সবকটি ইটে লেগে আছে কসমোপলিটন ধূলো
ভুলে গ্যাছো; ভুলে গ্যাছো এই শহরে ধূলো উড়িয়ে
বেজেছিলো ঘন অশ্বখুরধ্বনি- আমরা এসেছি
সেদিনই-তো- সীসার মতো ধীরে ধীরে গলে যাচ্ছে রোদ
শনিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৩
উচ্চারণ
আমরা পেয়ে যাবো পূর্বজদের পায়ে চলা পথ
হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ- কতোবার
কতো মানুষের ভীড়ে বৃক্ষেরা জন্মেছিলো
কতো মানুষের চোখে ভরা স্বপ্নের মতো;
তুমি এক পঙক্তির সৌন্দর্য হয়ে আছো
তুমি ফের শ্লোগানের মতো ধিকি ধিকি জ্বলছো
জ্বলছো নিভছো জোনাক- আমরা হেঁটে যাবো
রিক্ত পথে বহুময় একাকীত্বে; কতোবার পেয়ে
হারিয়েছি ঐরাবতের পাল- কতোবার হয়ে গ্যাছি
সাঁতার পটু সাদা কিশোরের শার্ট; উড়তে উড়তে
হাওয়ায় লুটিয়ে পড়েছি, লুটিয়ে পড়েছি তুমি আমি
সঙ্ঘযুথের দিপ্র উচ্চারণে।
হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ- কতোবার
কতো মানুষের ভীড়ে বৃক্ষেরা জন্মেছিলো
কতো মানুষের চোখে ভরা স্বপ্নের মতো;
তুমি এক পঙক্তির সৌন্দর্য হয়ে আছো
তুমি ফের শ্লোগানের মতো ধিকি ধিকি জ্বলছো
জ্বলছো নিভছো জোনাক- আমরা হেঁটে যাবো
রিক্ত পথে বহুময় একাকীত্বে; কতোবার পেয়ে
হারিয়েছি ঐরাবতের পাল- কতোবার হয়ে গ্যাছি
সাঁতার পটু সাদা কিশোরের শার্ট; উড়তে উড়তে
হাওয়ায় লুটিয়ে পড়েছি, লুটিয়ে পড়েছি তুমি আমি
সঙ্ঘযুথের দিপ্র উচ্চারণে।
লেবেলসমূহ:
তৃতীয় পর্বের কবিতাগুলি
শুক্রবার, ১০ জুন, ২০১১
বৃষ্টি বিষয়ক সিজোফ্রিনিয়া
প্রচন্ড ঝড়োতায় তোমার দেহপায়রা উড়ে গিয়ে
বসে শেষ কম্পার্টমেন্টে। বৃষ্টি বিষয়ক সিজোফ্রিনিয়া
স্টেশনে স্থির বসে থাকে। তুমি চলে যাও অঝোর
মালগাড়ির তীব্র আলোর দৃশ্যান্তরে;
হারানো বিজ্ঞপ্তি সাঁটা হয়েছে দেয়ালে দেয়ালে
হারবাল কোম্পানীর সমস্ত স্টিকারে-হ্যন্ডবিলে
রঙিন পোস্টারের মৌণ যৌন আর্দ্রতায়-
ঝরছে সোনার মতো তোমার অবিনশ্বর চুলের সাপ
ইস্পাতে পিষ্ট রোদের জটিল গোপন ব্যধি;
স্টেশানরোডের হাওয়া মিশে যাচ্ছে মেঘেদের ক্ষয়রোগ
পড়ে যাচ্ছে সবগুলো শার্টার পরজীবি চুলের দৃশ্যকল্পে;
খয়েরি টিনের শব্দমাতাল বিস্ময়, টিকিটের ধূধূ হাহাকার
চলে যাও সমান্তরাল বৈকুণ্ঠের তরলে—
স্থিরতা জানে, কুয়াশায় ঢেকে যাবে তোমার গমনপথ
স্টেশানের সবগুলো বেঞ্চি গভীর কোন আভিঘাতে একদিন
বসে শেষ কম্পার্টমেন্টে। বৃষ্টি বিষয়ক সিজোফ্রিনিয়া
স্টেশনে স্থির বসে থাকে। তুমি চলে যাও অঝোর
মালগাড়ির তীব্র আলোর দৃশ্যান্তরে;
হারানো বিজ্ঞপ্তি সাঁটা হয়েছে দেয়ালে দেয়ালে
হারবাল কোম্পানীর সমস্ত স্টিকারে-হ্যন্ডবিলে
রঙিন পোস্টারের মৌণ যৌন আর্দ্রতায়-
ঝরছে সোনার মতো তোমার অবিনশ্বর চুলের সাপ
ইস্পাতে পিষ্ট রোদের জটিল গোপন ব্যধি;
স্টেশানরোডের হাওয়া মিশে যাচ্ছে মেঘেদের ক্ষয়রোগ
পড়ে যাচ্ছে সবগুলো শার্টার পরজীবি চুলের দৃশ্যকল্পে;
খয়েরি টিনের শব্দমাতাল বিস্ময়, টিকিটের ধূধূ হাহাকার
চলে যাও সমান্তরাল বৈকুণ্ঠের তরলে—
স্থিরতা জানে, কুয়াশায় ঢেকে যাবে তোমার গমনপথ
স্টেশানের সবগুলো বেঞ্চি গভীর কোন আভিঘাতে একদিন
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)