খসড়া গদ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
খসড়া গদ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৩

কার হাতে স্বপ্নের মতো বাজতেছি

বিশাল মাস্তুল- না দ্রুতগামি বাস; এড়িয়ে যাচ্ছি
নাথেরপেটুয়া। আমার হয়েছে এই বিপদ,
নিজেকে হরিণ মনে হয়। মাঠ দেখলেই দৌড়ে গিয়ে
ঘাসের কাছে আব্দার করতে চাই;

কাস্তে, না; ছুরি। নিটোল, তীক্ষ্ণ। পাঁজর ভেদ করে
অনায়াসে ফুটো করে দেবে হৃৎপিন্ড।
আমি ট্রেনের বদলে নৌকায় চড়তে ভালোবাসতাম বেশি
এখন ডেমুই একমাত্র ভরসা তোমার কাছে আসতে

তত্ত্ব থেকে ছাই ওড়ে। সেই ছাই মেখে মিছিলে নামি
তারপর মেঘের মতো ক্লান্ত হয়ে বাতাসে ঘুমিয়ে পড়ি

কোন কোন শব্দ দ্ব্যর্থ। যেমন 'তুমি' শব্দটি; এত বেশি
ব্যবহৃত আমার ও আমার গোত্রের সবার মধ্যে
অথচ এর মানে বের করতে গিয়ে অনেকেই নাকাল

মাঝে মাঝে দুই পায়ে হাঁটি; তখন মনে পড়ে যায়
আমি আসলে তৃষভোজী নই, মাংসাশী।
খুর ও খড়মের পার্থক্যের মতো জুয়ার টেবিলে থামি

নারী ও লিপ্সায় কোন ভেদ নেই, যেমন নেই তোমার
ডানের সাথে বামের- উভয়েই প্রতিক্রিয়াময়।
টেবিলের গ্লাস কখনো খালি থাকে না- মাস্তুল থেকে
কাস্তের রাজনীতি, আ জার্নি বাই বাস, খড়মের শব্দ

সবই থাকে; থাকি না শুধু তোমার স্বপ্নের থরোথর

শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৩

নিপাতনে সিদ্ধ

সর্বনামের মোহে পড়ে গেছি। এখন থেকে তোমার নাম তুমি।
দুই ডানায় উড়ে উড়ে বেড়াবে, তবু তোমার নাম দেবো না পাখি
কারণ বিহঙ্গ শব্দটি বিশেষ্য। উত্তপ্ত ডানায় তুমি উড়তে উড়তে
অনেক দূর চলে যাবে, সূর্যের দিকে- না সূর্যওতো বিশেষ্য;
তুমি ফিসে আসবে উত্তম পুরুষের বুকে, ফিরে আসবে হে
অনামবাচক; তোমার উদরে একদিন জন্ম নিবে মহাসর্বনাম।
প্রকৃত ও প্রত্যয়ের নিয়ম মেনে সে হবে নিপাতনে সিদ্ধ মানুষ