শুক্রবার, ৬ আগস্ট, ২০১০

রৌদ্র হাহাকার

এখন রোদের গল্প বল
হৃদয়ে কোলাহল
বারোয়ারী প্রেমে
তুই আমাকে এখন মেঘ থেকে তুলে নিয়ে যা

সবুজ কন্যারা স্থিতিস্থাপকতা ভুলে
ভুল নিয়মে পথ হাঁটে
ভেসে বেড়ায় টাওয়ারে টাওয়ারে
আলোকিত উষ্ণ আহ্বানে
তুই আমাকে তুলে নিয়ে পৌর প্রহরে বিস্তীর্ণ বেদনা বুনে দে

অনবরত বর্ষায়
অবিনত ধারায়
আর্দ্র শেওলায়
আমি আবার জন্মে যাচ্ছি;
শেষ লজ্জা ভুলে
অদ্ভুত ভ্রূণজীবি
মানুষের কোরাসে
পুনর্জন্মের অভিলাস--
আমার কপালে তুই লিখে দে মেঘমুক্তির গান

চির ওষ্ঠ, আকাঙ্খা
হে সঘন কামনা,
শেষ দৃশ্যে তালি দিতে নেই
হে আমার কালো পর্দার ক্ষমা;
মেঘ থেকে তুলে
আমাকে বৃষ্টি হয়ে ঝরতে দে
ঝরে যাই অঝোর ম্যাজিক
রৌদ্রে রৌদ্রে বেদনা হাহাকার
হে আমার তুমি রৌদ্র আহবান;

বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০১০

কবিগৃহের কবিতা

আপনিই থাকবেন উঁচুতে- জ্যোৎস্নায় বুক ভিজিয়ে-বৃষ্টির স্নেহে
রাতভর কবিতার উল্লাসে। আপনাকে ঘিরে থাকবে প্রমিত উপমার দল;
যেমন থাকে সবসময়। মস্তিস্কের অবদমিত যৌন ক্রোধ থেকে খুঁটে খুঁটে
এক একটি অধীর শব্দ তুলে নিয়ে আসবেন শুভ্র বলাকার স্থৈর্যে;
আর স্বর্গ থেকে ইন্দ্রাদি দেবতাগণ পুষ্প বৃষ্টির মতোন আপনার জয় গানে
ছাদ জুড়ে পাঠাবেন মেনকার উন্মুক্ত বক্ষশোভার চিরযৌবণা রোদ

ধন্য আপনি- ধন্য আপনার মধু-অভিমান

আপনার গৃহের প্রহরীগণ নিপুন দক্ষ হাতে নিধন করে চলছে
প্রতিটি অ্যাটমিক অবাধ্য অন্ধকার শব্দকে। প্রবল প্রতিরোধের
মুখোমুখি স্যাডিজম এখনো আপনার অজর ব্যুহে।
জ্যোৎস্না প্রিয় কবির গৃহে অন্ধকারের কোন ঠাঁই নেই জেনেও
অবৈধ প্রবেশাধিকারী লজ্জিত মীনের জন্য অন্তত এক কোষ
ক্ষমার সলিল ছুঁড়ে দিন পশ্চিমের জানালায়--

কবি গৃহে সকলের প্রবেশাধিকার থাকতে নেই, একদিন বৃষ্টির বিকালে
এভাবেই আপনি একটি কবিতা লিখেছিলেন।।

অনুমতি দিন, আমি তার প্রথম বিমুগ্ধ পাঠক হই।।